নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেটে ছাত্র-জনতার উপর গুলি ছুঁড়ে মামলার আসামি হয়েছেন যুবলীগ নেতা মাহমুদ আহমদ।
গত ২৮ জানুয়ারি সিলেটের মাননীয় অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম নাদেলকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন মো.আমিনুল ইসলাম (৩৬)। যা কোতোয়ালী সি.আর মামলা নং-১৭০১/২০২৪ ইং এবং কোতোয়ালী থানার মামলা নং-৬০, তাং ২৮/০১/২০২৫ ইং। আমিনুল ইসলাম জালালাবাদ থানার বাবুরাগাঁও গ্রামের আব্দুল ওহাবের ছেলে। এ মামলায় আরও ১৫৬ জনের নামোল্লেখ ও ১৫০/২০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
উক্ত মামলায় ৪০ নাম্বার আসামি করা হয়েছে মাহমুদ আহমদকে৷ মাহমুদ আহমদ সিলেট জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। গোলাপগঞ্জ উপজেলার পৌর এলাকার টিকরবাড়ি গ্রামের আব্দুল মালিকের ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে সারাদেশের ন্যায় গত বছরের ১৯ জুলাই সিলেটের কালেক্টরেট মসজিদের সামনে থেকে ছাত্র-জনতা ও বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে বের হওয়ার পর আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা মিছিলে হামলা চালায়। এসময় দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্রের আঘাতে অনেক ছাত্র-জনতা ও বিএনপির নেতাকর্মীরা আহত হন। মামলার অন্যান্য আসামির মতো মামলার ৪০ নাম্বার আসামি মাহমুদ আহমদও তার হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে ছাত্র-জনতার উপর হামলা চালান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
এদিকে এ বিষয়ে জানতে মাহমুদ আহমদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, মাহমুদ গত বছরের ১৬ আগস্ট যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমিয়েছেন। তিনি দেশে থাকতে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। যে কারণে তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।
তারা আরও বলেন, মাহমুদ আহমদের বিরুদ্ধে গত ৭ জানুয়ারি সিলেটে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়। দুইটি মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। তিনি কখনো দেশে ফিরলে গ্রেপ্তার হবেন এমনটাই নিশ্চিত। এই মূহুর্তে তার দেশে ফেরা নিরাপদ মনে করছেন না তার পরিবারের সদস্যরা। এছাড়া বিভিন্ন সময় পুলিশ মাহমুদ আহমদের খুঁজে বাড়িতে তল্লাশী চালায় বলে জানান তারা।

Post a Comment