নিউজ ডেস্ক : বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের হত্যা মামলার আসামি হলেন সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আইমান আহমদ চৌধুরী।
গত (১১ সেপ্টেম্বর) মাননীয় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২নং আমলী আদালতে সানি আহমদ হত্যা মামলায় তার বাবা কয়ছর আহমদ (৫৫) বাদি হয়ে (গোলাপগঞ্জ সি আর মামলা নং: ৩১০/২০২৪ইং) একটি মামলা যাহা গোলাপগঞ্জ থানার মামলা (মামলা নং:৬/১৫০ তাং:১১/৯/২০২৪ইং) দায়ের করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করা হয়। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি, সাংবাদিক, আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ৪৫ জন নেতাকর্মীদের নামোল্লেখ ও ৩০/৪০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে৷
মামলার বাদি কয়ছর আহমদ উপজেলার পশ্চিম আমুড়া ইউনিয়নের কুমারপাড়া শীলঘাট গ্রামের নিহত সানি আহমদের পিতা।
এঘটনায় হত্যা মামলার ৩৩নং আসামি করা হয় আইমান আহমদ চৌধুরীকে। তিনি সিলেটের জকিগঞ্জ থানার এওলাশার গ্রামের আলাউদ্দিন চৌধুরীর ছেলে। তিনি সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৪ আগস্ট সারাদেশের ন্যায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলন চলতে থাকে। আন্দোলনের অংশ হিসেবে এ দিন গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নে বারকোটস্থ স্থানে ছাত্র-জনতাকে লক্ষ্য করে দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি, আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী হামলা চালায়৷ হামলা চলাকালে অনেক ছাত্র-জনতা গুলিবিদ্ধ হন। এসময় সানি আহমদ নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন। এঘটনায় তার বাবা কয়সর আহমদ বাদি হয়ে আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এদিকে উক্ত মামলায় আইমান আহমদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। যে কোন সময় ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যেতে পারেন আইমান আহমদ চৌধুরী।

إرسال تعليق