গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি : ২০০৯ সালের ৪ মার্চ। যখন নিজ দল আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়। ওই সময় জামায়াত-শিবির হামলা করে হাতের রগ কেটে দেয় গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাদেপাশা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল ইসলামের।
তৎকালীন সময়ে হাতের রগ কেটে ফেলার পর নিজ দল ক্ষমতায় থাকার পরও মামলা দিয়ে আসামিদের কিছুই করতে পারেননি নাজমুল ইসলাম। ওই সময়ে শুনতে হয়েছে প্রাণে হত্যার হুমকি। বার বার নির্যাতিত হওয়ার পরও রাজনীতি ছাড়েননি।
গত বছর বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ফলে দীর্ঘ ১৭ বছরের ক্ষমতা শেষ হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর শুরু হয় নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট। একের পর এক মামলায় আসামি হতে থাকেন দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীসহ শীর্ষ নেতারা৷ ৫ আগস্টের পূর্ব হতে যারা দেশের বাইরে রয়েছেন তাদেরকে মামলার আসামি হতে হয়েছে। বাদ যাননি সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল ইসলাম। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও হত্যা চেষ্টাসহ ২টি মামলা দায়ের করা হয়। অথচ তিনি দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে প্রবাসে রয়েছেন।
বর্তমানে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় না থাকায় দুইটি মামলায় ওয়ারেন্ট নিয়ে দেশে ফেরা মুশকিল নাজমুল ইসলামের। পূর্ব বিরোধের জেরে হয়েছেন মামলার আসামি। দেশে ফিরলে হয় গ্রেপ্তার না হয় গুম-খুন। এমন আশংকায় নাজমুল ইসলামকে দেশে না ফেরার অনুরোধ তার পরিবারের। কারণ, পুলিশ বার বার বাড়িতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে আবার বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা তার খুঁজে প্রতিদিন বাড়িতে যাচ্ছেন। দিয়ে আসছেন দেশে ফিরলে প্রাণনাশের হুমকি।

إرسال تعليق