নিজস্ব প্রতিবেদক : গোলাপগঞ্জে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইমতিয়াজ আহমেদের বাড়িতে একের পর এক অভিযান পরিচালনা করছে পুলিশ। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে ৩ বারের মতো এমন অভিযানে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা৷
গতকাল (২৯ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার বাঘা ইউনিয়নের দক্ষিণ বাঘা গ্রামে এ অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের বার বার এমন অভিযানে আতঙ্কিত তার পরিবারসহ এলাকার মানুষ।
জানা যায়, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের প্রায় আড়াই বছর আগে ইমতিয়াজ আহমেদ যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের পর তার উপর দুইটি মামলা দায়ের করা হয়। একটি গত বছরের (২৭ আগস্ট) সিলেটের মাননীয় জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-২ এ তার বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা (মামলা নং:২৯৮/২০২৪ইং) দায়ের করা হয়। এরপর একই বছরের (১৩ সেপ্টেম্বর) সিলেটের মাননীয় জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-২ এ তার বিরুদ্ধে আরও একটি হত্যা চেষ্টা মামলা (মামলা নং: ৩৩৮/২০২৪ইং) যাহা গোলাপগঞ্জ মডেল থানার (মামলা নং: ৯/১৫৩ তাং: ১৩/৯/২০২৪ইং) দায়ের করা হয়। মামলার পর থেকে তাকে গ্রেপ্তারে তার বাড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। তবে গত এক মাসের ব্যবধানে ৩ বার পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে আতঙ্কিত তার পরিবারসহ এলাকার মানুষ৷ তবে বার বার পুলিশের অভিযানের সময় তাদের সাথে স্থান জামায়াত বিএনপির নেতাকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। তারাও পুলিশের সাথে একত্রিত হয়ে অভিযান চালায়।
স্থানীয় কয়েকজনের সাথে কথা হলে তারা জানান, ইমতিয়াজ আহমেদ দেশে থাকাকালীন সময়ে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। রাজনীতিতে তার ব্যাপক প্রভাব ছিলো। যে কারণে জামায়াত বিএনপির নেতাকর্মীরা তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে ভয় পেতেন। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের পর সেই সুযোগ কাজে লাগাচ্ছেন জামায়াত বিএনপির নেতাকর্মীরা৷ ইমতিয়াজ আহমেদ যুক্তরাজ্য থাকার পরও তাকে মামলার আসামি করা হয়েছে। সেই সাথে পুলিশকে সাথে নিয়ে তারা বাড়িতে তল্লাশী চালায়। এতে বুঝা যায় ইমতিয়াজ আহমেদ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। এমন অবস্থান ইমতিয়াজ আহমেদের দেশে ফেরা কোন ভাবেই সুবিধাজনক নয় বলে জানান স্থানীয়রা৷ কারণ এমন অবস্থায় তিনি দেশে ফিরলে গ্রেপ্তার বা গুম, খুনের শিকার হতে পারেন।

إرسال تعليق